ভাড়াটে গুন্ডার আত্মবিলাপ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এখন আমি একজন ভাড়াটে গুন্ডা
সময়ের সাথে এগিয়ে যাওয়া আমার ভূমিকা
শুধুই মৃত্যু
মৃত্যু
মৃত্যু।
যখন লেখাপড়া শেষ করলাম,
ভাগ্যে চাকরি জোটে না
তবুও বেকার।
বিনা চিকিৎসায় বাবা মারা গেলো,
যৌতুক দিতে পারি নাই বলে দিদি আমার
লাশ হয়ে ফিরে এলো।
ছোট্ট একটা-----------
হোগলা পাতার কুঁড়ে ঘর
দিনের বেলা সূর্য আর
রাতের বেলা চাঁদ একবার করে উঁকি দিয়ে যায়।
হাঁপানি রোগে জর্জরিত জন্মধাত্রী মা!
দু' বেলা তো খাবার জোটে না
চিকিৎসা করবো কোথেকে।
হাইস্কুল পড়ুয়া দরদী বোন
খালি পেটে সকালবেলা
ফিরে বেলা গড়িয়ে বিকেলবেলা।
চোখ দুটো চৈত্রের কাটফাটা পুকুরের মত,
শুকিয়ে গেছে জল ছিলো যতো।
গাল দু'টো চোয়ালের সাথে লেপ্টে লেগে আছে।
তাকে দেখলে মনে হয়--------
মানুষ রুপে জীবন্ত কঙ্কাল।
চারিদিকে ফজরের আজান,
হটাৎ মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ!
""বোধহয় আমি আর বাঁচবো না
নিশিকে দেখে রাখিস
যেনো নিশীথে হারিয়ে না যায়"""।
জোর করে গাল বেয়ে অশ্রু নামলো
মা চলে গেলো!!!--------
পরম প্রভুর সানিধ্যে।
গোঙাতে গোঙাতে বোনটিও!!!!!!
না কাঁদবো না,,,,,,,,
ফাটুক বুক
ফাটুক----------
তবু লিখে যাবো
এই ভাড়াটে গুন্ডার আত্মকাহিনীটা।
বিনা কাফনে কবর দিলাম
বাড়ির পিছনে
লেবু গাছটার তলে।
অসহায় একা শুণ্য জীবন
কুকুরের মত ঘুরতে লাগলাম সবার দ্বারে দ্বারে।
পচা একটা রুটি ছাড়া কিছুই জোটল না ভাগ্যে!
এই সুযোগ টা কাজে নিলো
বিজাতীয় বেনিয়ার দল;
তাঁদের স্বার্থে ডাকলাম হরতাল।
রিক্ত-বক্ষতল,
তারাই পাই সব মাল।
হয়ে গেলাম ভাড়াটে গুন্ডা
এক খুন;
দুই লাখ গুন!
এভাবে নাম পড়লো
ভাড়াটে গুন্ডার খাতায়।
মোর অনুরাগের শেষ প্রতিক্ষা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
সেদিন সন্ধ্যার লগনে
চাহি অম্বর পানে,
দুটি হাতে হাত রেখে
চাঁদনি সাক্ষী রেখে
সত্যি একটা কথা বলেছিলে তুমি,
বধু হবে--
বাংলার বধু হবে তুমি
পরবে নাকে নাকফুল
হাতে চুড়ি।।
রেখেছো কথা তুমি
রাখিনি আমি।।।
হারিয়েছি দিকভ্রান্তে,
আবেগের নিবিড় বাঁধনে
বুনেছি স্বপ্ন হ্রদয়ের সীমান্তে।
ছলনে ভুলায়ে লয়েছি মোরে
গিরিসংকট পথে
মরীচিকার মরুপথে
চলেছি একা রথে
তব কি দিবে দেখা
মোর শেষ জীবনের তটে?
বারংবার ভুল করে যায়
তোমারই স্মৃতির পাতায়
খুঁজে চলি আপন পুষ্পমুন্জ্ঞরী
বিরহের প্রবাহে ঘুরি ঘুরি
চিত্ত মম্ কাঁচামুন্জ্ঞরী
আর সইতে না পারি।।
তোমার দেয়া অনলের বাড়ি,
তাতে করি বসবাস;
নির্লিপ্ত মায়াবিনী বুনোহাঁস
তোমার আবাদ জমি করবে বলে চাষ
দীর্ঘ প্রতিক্ষার প্রহর গুনে।।
আসবে কি সেই গান শুনে?
যেমনি আসতে মধ্যে রাতে
পূর্ণিমা চাঁদ নীল গগনে
ঘুঙুর পরা ভীরু পা-য়ে
মাতিয়া তুলিতে নিস্তব্ধ রাত।
চাহি অম্বর পানে,
দুটি হাতে হাত রেখে
চাঁদনি সাক্ষী রেখে
সত্যি একটা কথা বলেছিলে তুমি,
বধু হবে--
বাংলার বধু হবে তুমি
পরবে নাকে নাকফুল
হাতে চুড়ি।।
রেখেছো কথা তুমি
রাখিনি আমি।।।
হারিয়েছি দিকভ্রান্তে,
আবেগের নিবিড় বাঁধনে
বুনেছি স্বপ্ন হ্রদয়ের সীমান্তে।
ছলনে ভুলায়ে লয়েছি মোরে
গিরিসংকট পথে
মরীচিকার মরুপথে
চলেছি একা রথে
তব কি দিবে দেখা
মোর শেষ জীবনের তটে?
বারংবার ভুল করে যায়
তোমারই স্মৃতির পাতায়
খুঁজে চলি আপন পুষ্পমুন্জ্ঞরী
বিরহের প্রবাহে ঘুরি ঘুরি
চিত্ত মম্ কাঁচামুন্জ্ঞরী
আর সইতে না পারি।।
তোমার দেয়া অনলের বাড়ি,
তাতে করি বসবাস;
নির্লিপ্ত মায়াবিনী বুনোহাঁস
তোমার আবাদ জমি করবে বলে চাষ
দীর্ঘ প্রতিক্ষার প্রহর গুনে।।
আসবে কি সেই গান শুনে?
যেমনি আসতে মধ্যে রাতে
পূর্ণিমা চাঁদ নীল গগনে
ঘুঙুর পরা ভীরু পা-য়ে
মাতিয়া তুলিতে নিস্তব্ধ রাত।
No comments:
Post a Comment